কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি শ্রমিকদের দাবির আড়ালে সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নেড়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, কোনো শ্রমজীবী মানুষ কিংবা শ্রমিক ভাই-বোনেরা কখনো শিল্পকারখানার ক্ষতি করতে পারেন না। কিন্তু একটি মহল বিভিন্ন কলকারখানায় গিয়ে যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করছে এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংসের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাটের খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, একটি মহল গত ১৫-১৬ বছরেও দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেনি। তারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল এবং দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছিল। গণঅভ্যুত্থানের মুখে যারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে, তারাই এখন সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নেড়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শ্রমিক ভাই-বোনদের মজুরি নিয়ে কিছু দাবি-দাওয়া রয়েছে, যা সরকার অবগত। এসব দাবি পর্যালোচনার জন্য ইতোমধ্যে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং বোর্ড কাজ শুরু করেছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে মজুরি বোর্ড নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করবে, যাতে শ্রমিকরা ভালো থাকতে পারেন।
বাগেরহাট জেলা বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে পথসভায় উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজীব আহসান, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপি নেতা সোমনাথ দে, কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
পথসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মেলান এবং কুশল বিনিময় করেন। পরে বাগেরহাট জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।




