নাটোর শহরের পরিচিত ব্র্যান্ড মৌচাক মিষ্টান্ন ভান্ডারের বেকারি কারখানায় নোংরা পরিবেশে পাউরুটি, বিস্কুট, চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য তৈরির অভিযোগে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত। জরিমানার টাকা পরিশোধ করে কারখানার মালিক আরিফ হোসেন মুক্তি পেয়েছেন। অনাদায়ে তাকে দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহরের আমহাটি এলাকায় অবস্থিত কারখানাটিতে অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়ম দেখতে পান আদালত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কারখানাটি একটি গরুর খামারের পাশে অবস্থিত। সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও মজুত করা হচ্ছিল। এসব পণ্যে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসংবলিত লেবেলও পাওয়া যায়নি।
বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত সূত্রে জানা যায়, নাটোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইব্রাহিম আলীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। এতে অংশ নেন জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা নেয়ামুল হাসান নীপ, জেলা ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তা নাজমুল হাসান এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক উদয় চন্দ্র সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আদালত সূত্র জানায়, কারখানার মালিক আরিফ হোসেন আদালতে অভিযোগ স্বীকার করলে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে জরিমানার টাকা পরিশোধ করায় তিনি মুক্তি পান।
আদালতের পেশকার মানিক চন্দ্র জানান, কারখানার পরিবেশ এতটাই অপরিচ্ছন্ন ছিল যে, বেকারি ও গরুর খামারের মধ্যে পার্থক্য বোঝা কঠিন। সেখানে বাসি, পচা ও অস্বাস্থ্যকর কাঁচামাল পাওয়া যায়। উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে পণ্যে তারিখের লেবেল লাগানোর নিয়ম থাকলেও তা করা হচ্ছিল না। দোকানে নেওয়ার সময় লেবেল লাগানো হতো।




