যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসে কোনো ফল পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সোমবার (৫ অক্টোবর) তেহরানে আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরারাত মির্জোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।ইরানি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, চাপ, হুমকি এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিষয় উল্লেখ করে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

এদিকে ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে নতুন করে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।ইউরোপ সফরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুবিও বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা চুক্তি রয়েছে এবং ওয়াশিংটন সেই প্রতিশ্রুতি বজায় রাখবে। তবে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

রুবিওর ভাষ্য অনুযায়ী, হুথিদের হামলার মুখে সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। একই সঙ্গে ইয়েমেনের মিত্র বাহিনীগুলো আগের সংঘাতে হারানো অঞ্চল পুনর্দখলের চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।বাব আল-মান্দাব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের কাছে হুথিদের প্রভাব মোকাবিলায় সৌদি ও ইয়েমেনি বাহিনীর কার্যক্রমকে তিনি প্রত্যাশিত বলে উল্লেখ করেন।

এর আগে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি সানা পুনর্দখলের জন্য সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন। ২০১৪ সাল থেকে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজধানীটি পুনরুদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সচল করার লক্ষ্যেই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর দাবি, বাব আল-মান্দাব প্রণালির কাছের ধুবাবসহ কয়েকটি কৌশলগত এলাকা তারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।তবে সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার বিষয়টি এখনো প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটন। এর পরিবর্তে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করার অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।