ভারতে সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানবিরোধী সাম্প্রতিক আন্দোলনকে ‘কমিউনিস্ট-মাওবাদী-ইসলামপন্থী ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)। বিজেপির আদর্শগত সংগঠনটির মুখপত্র ‘অর্গানাইজার’-এর সম্পাদকীয়তে এ দাবি করা হয়েছে।
সম্পাদকীয়তে বলা হয়, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের জেন-জি তরুণদের আন্দোলনের লক্ষ্য ভারতের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করা। এসব আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের ঐক্য ও সংহতি দুর্বল করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
আইআইটি বোম্বের এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) এবং ইউপিআই লেনদেনে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) চালুর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে সম্পাদকীয়তে।
এসব ইস্যুতে জাতপাত, ভাষা ও ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরির চেষ্টা হচ্ছে এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইউপিআইয়ে এমডিআর চালুর বিরোধিতাকেও ভারতের প্রযুক্তিগত সাফল্য ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছে ‘অর্গানাইজার’। তবে আরএসএসঘনিষ্ঠ স্বদেশি জাগরণ মঞ্চও এমডিআর চালুর বিরোধিতা করেছে।
সম্পাদকীয়তে আরও দাবি করা হয়েছে, ভারতের বিরোধিতাকারী বিদেশি শক্তি এসব আন্দোলনে উৎসাহ ও অর্থ জোগাচ্ছে। এই প্রবণতা ২০২৭ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ও ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত চলতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।