জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের কিয়েভ সফরের সময়ই ইউক্রেনের রাজধানীতে বড় ধরনের হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে। রোববার (৪ অক্টোবর) শহরের গুরুত্বপূর্ণ নর্দান ব্রিজেও হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো।কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে মের্ৎস কিয়েভে পৌঁছানোর পরপরই শহরে হামলার সতর্কতা জারি হয়। রুশ ড্রোন হামলার আশঙ্কায় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিয়েভের মেয়র জানান, হামলায় নিপ্রো নদীর ওপর থাকা নর্দান ব্রিজের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেতুটি রাজধানীর পূর্ব ও পশ্চিম অংশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে সেতুর আশপাশে বিস্ফোরণ ও আগুনের দৃশ্য দেখা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে নিপ্রো নদীর ওপর থাকা আরও কয়েকটি সেতুতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মের্ৎস কিয়েভে গিয়ে ইউক্রেনের প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তার মতে, রাশিয়াকে থামানো না গেলে ভবিষ্যতে যুদ্ধের প্রভাব ইউরোপের অন্যান্য দেশেও পড়তে পারে।এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পশ্চিমা মিত্রদের কাছে আরও সামরিক সহায়তা চেয়েছেন। বিশেষ করে রাশিয়ার নতুন ধরনের জেটচালিত ড্রোন মোকাবিলায় উন্নত প্রতিরোধব্যবস্থা সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মের্ৎস ও জেলেনস্কির বৈঠকে ইউক্রেনের জন্য নতুন সামরিক সহায়তা প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। জার্মান সরকারি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সহায়তার পরিমাণ ১০০ কোটি ডলারের বেশি হতে পারে।সম্ভাব্য প্যাকেজে ড্রোন ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এবং ইউক্রেনের ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে যৌথ উদ্যোগের বিষয়ও থাকতে পারে বলে জানা গেছে।