সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। নাগরিকদের জন্য সরকারি সেবা সহজ করা এবং জনবান্ধব প্রশাসন গড়তেও সংস্থাটির সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগসের সঙ্গে বৈঠকে উপদেষ্টা এসব আহ্বান জানান। বৈঠকে বাংলাদেশের জনপ্রশাসন সংস্কার এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে ইউএনডিপির অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।
ইউএনডিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে সুশাসন, জনপ্রশাসনে উদ্ভাবন, সরকারি খাতের সংস্কার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে সংস্থাটি কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের (জিআইইউ) সঙ্গে অংশীদারত্বের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। প্রশাসনকে আরও জবাবদিহিমূলক, জনবান্ধব ও তথ্য-প্রমাণনির্ভর করতে ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন সংশ্লিষ্টরা।
উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ বাংলাদেশের উন্নয়নে ইউএনডিপির দীর্ঘদিনের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নাগরিক-কেন্দ্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবা সহজীকরণে সংস্থাটির সহযোগিতা কামনা করেন।
জবাবে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি ও সংস্কার উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। জনপ্রশাসন সংস্কার, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং নাগরিকদের সেবার মান উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পায়।
বৈঠকে ইউএনডিপির উপ-আবাসিক প্রতিনিধি সোনালী দায়ারত্নে, সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক, সিনিয়র গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট তানভীর মাহমুদ, এসআইপিএস প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হাসান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জিআইইউর মহাপরিচালক ড. দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।