এলপিজি সরবরাহ বন্ধের আশঙ্কা কেটে গেছে। ব্যবসায়ীদের ডাকা দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড এ ঘোষণা দেয়। একই সঙ্গে এলপিজির দাম নির্ধারণে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন সরকারের প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তারা। এরপর দুপুরে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে। ফলে এলপিজির সরবরাহ ও ব্যবসা কার্যক্রম ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা কমার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও জ্বালানির দাম স্থিতিশীল নয়। বর্তমানে জ্বালানি সংগ্রহে যুক্তরাষ্ট্র প্রধান উৎস হিসেবে রয়েছে, অন্য উৎসগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভোক্তা পর্যায়ে দাম সহনীয় রাখা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বন্ধ করে ধর্মঘটের মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টা করা হলে ১৯৫৬ সালের আইন প্রয়োগ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন মন্ত্রী। কথায় কথায় ধর্মঘট ডেকে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
এদিকে এলপিজির দাম নির্ধারণে ২৯ অক্টোবরের গণশুনানিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও দাবি উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে। ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর এখন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তা পর্যায়ে দাম সহনীয় রাখাই বড় বিষয় হয়ে উঠেছে।




