মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। দ্বিতীয় দিনে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদী ও বড় স্টেশন মাছঘাটে দেখা গেছে নীরবতা। নদীতে জেলে নৌকা নেই, মাছঘাটেও বন্ধ ইলিশের বেচাকেনা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) শহরের বড় স্টেশন, টিলাবাড়ী ও লঞ্চঘাট এলাকায় নদীতে কোনো জেলে নৌকা দেখা যায়নি। নিষেধাজ্ঞা মানতে জেলেদের সচেতন করতে মাইকিং করছে জেলা মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে অভয়াশ্রম এলাকায় টাস্কফোর্সের পাশাপাশি নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের অভিযান চলছে।
বড় স্টেশন মাছঘাটে নিষেধাজ্ঞার আগে ছিল ব্যস্ততা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলত ইলিশের কেনাবেচা। এখন অধিকাংশ আড়ত ফাঁকা। কোথাও চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, কোথাও হিসাব মেলানোর কাজ।
বিক্রেতা আকবর আলী বেপারী বলেন, প্রতিদিনের মতো আড়তে এলেও এখন কাজ নেই। অন্যদিকে শ্রমিক সোলায়মান ও আনিছুর রহমান জানান, মাছ কেনাবেচা বন্ধ থাকায় তাঁদের ২২ দিন কর্মহীন থাকতে হবে। তাই ঘাটে বসে আড্ডা দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, ষাটনল থেকে চরভৈরবী পর্যন্ত অভয়াশ্রমে তিনটি দল অভিযান পরিচালনা করছে। নিষেধাজ্ঞার পুরো সময় ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলবে।
৮ অক্টোবর শুরু হওয়া নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে ২৯ অক্টোবর রাত ১২টায়। এ সময় নদীতে সব ধরনের মাছ আহরণ এবং ইলিশসহ মাছের ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহন নিষিদ্ধ। বিধি লঙ্ঘন করলে জেল ও জরিমানার মুখে পড়তে হবে।