ভারতের দিল্লিতে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার মুক্তির জন্য আবেদন করেছে তাঁদের আইনজীবী দল। রোববার (১৮ অক্টোবর) এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের বরাতে জানা গেছে, জামিনদারদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ এসব তথ্য যাচাই করছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর আগে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে পাঁচ দিনের জন্য তিহার কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশের অভিযোগ, তাঁরা শান্তি রক্ষার মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ করেছেন এবং যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করেছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিক্ষোভ ও কর্মসূচি আয়োজনের নিয়ম নিয়েও পুলিশের আপত্তি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই ঘটনায় তাঁদের সঙ্গে থাকা অজিঙ্কা শিন্ডে শান্তি রক্ষার মুচলেকায় সই করার পর মুক্তি পান।
পুলিশের ভাষ্য, জনশান্তি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা এবং আগের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে সৌরভ ও আশুতোষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে একটি বিক্ষোভের ঘটনায় আটক হওয়ার পর তাঁরা এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার মুচলেকায় সই করেছিলেন বলে দাবি পুলিশের। এদিকে, দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এ ঘটনাকে ভিন্নমত দমনের প্রচেষ্টা বলে অভিযোগ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে শান্তি রক্ষার মুচলেকায় সই করার পর অভিজিৎ দীপকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেয়েছেন। তবে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার জামিনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং মামলার পরবর্তী অবস্থা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।




