ব্রিটিশ রাজপরিবারে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই প্রিন্সেস অব ওয়েলস ক্যাথরিন (কেট) একটি শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন। বার্তাটি হ্যারি-মেগানের সঙ্গে তার সম্পর্কের কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
১৭ অক্টোবর প্রকাশিত জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি হ্যারি ও মেগানের যুক্তরাজ্যের নটিংহাম সফরের পর তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। একই সময়ে কেট অস্ট্রেলিয়ায় রাগবি লিগ বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া ইংল্যান্ডের পুরুষ, নারী ও হুইলচেয়ার দলকে শুভকামনা জানান।
বার্তায় কেট খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ ও সহায়ক কর্মীদেরও শুভেচ্ছা জানান। বিশ্বমঞ্চে ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া দলগুলোর সাফল্য কামনা করেন তিনি। বার্তার শেষে নিজের নামের আদ্যক্ষর ব্যবহার করেন কেট।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেটের এই বার্তাকে রাজপরিবারের দায়িত্ব ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে। আবার হ্যারি ও মেগানের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রিন্স উইলিয়াম ও কেটের সরাসরি মন্তব্য না করার ধারাবাহিকতাও হতে পারে এটি।
রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস শুরু করার পর থেকে হ্যারি-মেগানের সঙ্গে রাজপরিবারের দূরত্ব নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে হ্যারি ও উইলিয়ামের সম্পর্কের টানাপোড়েন আলোচনায় রয়েছে।
রাজপরিবারবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যারি-মেগানের কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় উইলিয়াম ও কেট তড়িঘড়ি কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইছেন না। ভবিষ্যতে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বা সমঝোতার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও কিছু প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
তবে কেটের শুভেচ্ছাবার্তাকে হ্যারি-মেগানের প্রত্যাবর্তন কিংবা সম্পর্ক উন্নয়নের সরাসরি ইঙ্গিত হিসেবে দেখার মতো নিশ্চিত প্রমাণ নেই। একইভাবে, উইলিয়াম ও হ্যারির সম্পর্কের টানাপোড়েনও মিটে গেছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।




