যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে বেসামরিক নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার কার্যক্রমে গুরুত্ব বাড়াচ্ছে ইরান। সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি হুমকি মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাব্যবস্থাকে সহায়তা করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘জানফাদা’ নামে পরিচিত এই কর্মসূচির অর্থ ‘যারা জীবন উৎসর্গ করেন’।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের তীব্রতা যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তখন গত মার্চের শেষ দিকে কর্মসূচিটি চালু করা হয়। এই উদ্যোগের আওতায় সাধারণ নাগরিকদের অস্ত্র চালানো ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বর্তমানে ইরানের বিভিন্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চলে কর্মসূচিটি ছড়িয়ে পড়েছে।
নারী ও পুরুষ—উভয়কেই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তরুণদের অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হলেও কর্মসূচিটি শুধু তরুণদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সব বয়সের মানুষের জন্যই এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে আবারও দ্রুত সংঘাত শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কার মধ্যেই উদ্যোগটি আরও জোরদার করছে ইরানের কর্তৃপক্ষ। সম্ভাব্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।



