যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিলের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ভিসা বাতিলের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। দেশটিতে প্রবেশ ও অবস্থানের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলার ওপরও জোর দিয়েছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কনসুলারবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরা নামদার। তিনি বলেন, তিন লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে এবং এ সংখ্যা বাড়ছে। ভিসাধারীদের প্রতি তার সতর্কবার্তা, যুক্তরাষ্ট্রের আইন মেনে চলতে হবে; অন্যথায় দেশটিতে ভ্রমণের সুযোগ হারাতে হবে।
নামদার আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং দেশটির নাগরিকদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তার পোস্টে যুক্ত করা হোয়াইট হাউসের এক বার্তায় দাবি করা হয়, আগের যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় দ্রুতগতিতে ভিসা বাতিল করছে বর্তমান সরকার।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানিয়েছেন, অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিল করা হয়েছে। ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কেউ আইন ভঙ্গ করলে, প্রতারণা করলে কিংবা নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
পিগটের বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের ঘটনায় কোনো ছাড় না দেওয়ার নীতি অনুসরণ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে এখন পর্যন্ত বাতিল হওয়া ভিসার ধরন, সংশ্লিষ্ট নাগরিকদের দেশভিত্তিক হিসাব এবং বিভিন্ন কারণে বাতিলের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।