কেপ ভার্দের হয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের মঞ্চে নেমেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন গোলরক্ষক ভোজিনহা। স্পেনের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে তার দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ দলকে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এনে দেয়। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে তার পরিচিতিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শ্যাভেসে খেলতেন ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের পর মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা কয়েক দশ হাজার থেকে বেড়ে ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। পরে সেই সংখ্যা আরও কয়েক গুণ বাড়ে।
তবে হঠাৎ পাওয়া জনপ্রিয়তা তার ব্যক্তিগত জীবনে স্বস্তির বদলে নতুন চাপ তৈরি করেছে। এক সাক্ষাৎকারে ভোজিনহা জানান, এখন বাইরে বের হলেই ভক্তরা ছবি, অটোগ্রাফ কিংবা ভিডিও করার জন্য ঘিরে ধরছেন। ফলে আগের মতো ব্যক্তিগত সময় বা নিরিবিলি থাকার সুযোগ পাচ্ছেন না তিনি।বিশ্বকাপের পর ড্রেসিংরুমে বসেই নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যা বাড়ার খবর জানতে পারেন ভোজিনহা। প্রথমে বিষয়টি তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি। পরে সাংবাদিকের ফোনে নিজের অ্যাকাউন্টের অবস্থা দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হন।
অতিরিক্ত এই আগ্রহ সামলাতে নিজের ইনস্টাগ্রাম নোটিফিকেশন বন্ধ করে দেন তিনি। পাশাপাশি তার সাবেক এজেন্টকেও পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়।ভোজিনহার জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ব্র্যান্ড থেকেও প্রস্তাব আসতে থাকে। তবে তিনি জানিয়েছেন, তামাক, অ্যালকোহল ও বেটিং-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রচারণায় যুক্ত হতে চান না।
বিশ্বকাপে খ্যাতি, বদলে গেছে ভোজিনহার ব্যক্তিজীবন
কেপ ভার্দের হয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের মঞ্চে নেমেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন গোলরক্ষক ভোজিনহা। স্পেনের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে তার দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ দলকে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এনে দেয়। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে তার পরিচিতিও দ্রুত
প্রিয় বাংলাদেশখেলা

