আজ মহালয়া। শনিবার (১০ অক্টোবর) পিতৃপক্ষের শেষ দিনে পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও তর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। মহালয়ার আগমনী আবহে বাঙালির মনে এখন শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতীক্ষা।
ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রথা অনুযায়ী, মহালয়ায় প্রয়াত স্বজনদের উদ্দেশে জল ও তিল নিবেদন করে তর্পণ করা হয়। একই সঙ্গে চণ্ডীপাঠ, স্তব-স্তুতি ও পূজার্চনার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আবাহন করা হয়। পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, অসুরের অত্যাচার থেকে বিশ্বকে রক্ষা করতে দেবী দুর্গার আবির্ভাব ও বিজয়ের স্মারক হিসেবেও দুর্গোৎসবের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে ভোর থেকে মহালয়ার অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা রয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টায় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তিল-তর্পণ এবং সকাল ৯টায় ঘট স্থাপন ও বিশেষ পূজার সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মন্দিরেও ধর্মীয় অনুষ্ঠান হচ্ছে।
এ বছরের দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে উৎসব। মহালয়া তাই শুধু পিতৃপুরুষদের স্মরণের দিন নয়; এটি দেবীপক্ষের সূচনা এবং দুর্গাপূজার দিনগণনা শুরুরও বিশেষ মুহূর্ত।




