অগ্রণী ব্যাংকের মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর শাখায় প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শাখার ক্যাশ অফিসার মো. শহীদুজ্জামান, ব্যাংক কর্মকর্তা মো. জিন্নাহ হোসেন, রেজাউল হক ও মো. শরীফ উদ্দীন এবং নিরাপত্তাকর্মী রঞ্জু আহমেদ ও আবদুল হাই। তাদের সবাইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
দুদক জানায়, ৯১ জন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। এরই মধ্যে ৮ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮২৬ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া এফডিআর, চেক জালিয়াতি ও ভুয়া ডিপোজিট স্লিপের মাধ্যমে গ্রাহকদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। হিসাবের তথ্য পরিবর্তন করেও অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সংখ্যা ২০০ ছাড়াতে পারে বলে ধারণা করছে দুদক।
দুদক সূত্র জানায়, গত ৪ অক্টোবর মো. শহীদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গত ৭ অক্টোবর শ্রীনগর থানা-পুলিশের সহযোগিতায় বাকি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অনুসন্ধান দল ঘটনাস্থলে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের বক্তব্য গ্রহণ করছে। অনুসন্ধান শেষ হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ ঘটনায় মামলা করা হবে বলে জানিয়েছে দুদক।




