দেশে চাঁদাবাজি ও দলীয়করণের কথা বললেই সাধারণ মানুষ বুঝে ফেলে কাদের কথা বলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমীর ও সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর।
তিনি বলেন, জনগণ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দিয়েছিল, কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। দেশে ছড়িয়ে পড়া দলীয়করণ ও চাঁদাবাজি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ শহরের আলহেরা এলাকায় জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ১১ দলীয় জোটের ঘোষিত সাত দফা দাবি আদায়ে ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ কর্মসূচি সফল করার প্রস্তুতি জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আলী আজম মো. আবু বকর বলেন, লংমার্চ সফল করতে ঝিনাইদহে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কর্মসূচিতে দুই লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে ঝিনাইদহে আসবেন। পথে বিভিন্ন স্থানে পথসভায় অংশ নেওয়ার পর তাঁরা কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে বিকেল ৫টায় মূল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপি প্রধান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ এবং খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেবেন বলে জানানো হয়।
এদিকে লংমার্চ ঘিরে ঝিনাইদহ শহরে সাজ সাজ রব দেখা গেছে। কর্মসূচিকে সামনে রেখে শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড টাঙানো হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে আলোকসজ্জাও করা হয়েছে। লংমার্চ সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান, ১১ দলীয় জোটের জেলা আহ্বায়ক ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়ালসহ স্থানীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।