চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও তা না পেয়ে এক প্রবাসীর বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। আদালতে দায়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ তদন্ত শুরু হয়। অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস উপজেলার সুয়াবিল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এবং শোভনছড়ি গ্রামের মো. শাহা আলমের ছেলে। তিনি প্রবাসী মো. ইছমাঈলের আপন ভাই। এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সুয়াবিল ইউনিয়নের শোভনছড়ি গ্রামের চিকন মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ ঘটনায় ইছমাঈলের স্ত্রী মোছাম্মৎ জেসমিন ভূজপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরবর্তী সময়ে আদালতে আবেদন করা হলে অভিযোগটি তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়, জীবিকার তাগিদে ইছমাঈল বর্তমানে ওমানে অবস্থান করছেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী-সন্তানরা বাড়িতে বসবাস করছেন। এ অবস্থায় আব্দুল কুদ্দুস তাঁর ভাইয়ের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে জমির সব মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন। দাবিকৃত টাকা না পেয়ে বসতঘরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগও করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এতে ঘরের আসবাবপত্র ও স্থাপনার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
এ ছাড়া ইছমাঈলের বন্ধু একই এলাকার মো. রাসেদের কাছেও চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও তাঁর এমন কর্মকাণ্ডে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভবিষ্যতে আবারও হামলা, ভাঙচুর কিংবা জমির মাটি কেটে নেওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমি কোনো চাঁদা দাবি করিনি। জায়গার বোকারি বাবদ টাকা চেয়েছি।’ আদালতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।