সাজেককে ঘিরে চলমান উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, পাহাড়ের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ পর্যটনশিল্প। নিজেদের আন্তঃকোন্দলের কারণে এ শিল্পকে ধ্বংস হতে দেওয়া যাবে না। পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে বহু মানুষের জীবিকা বন্ধ হয়ে যাবে। পর্যটন অর্থনীতি ধ্বংস হোক, তা কেউ চান না।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে রাঙ্গামাটিতে প্রয়াত সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, পাহাড়ের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রয়াত সুবিমল দেওয়ানের সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা ধারণ করতে হবে। তার স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে হবে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, তার বাবা সুবিমল দেওয়ান রাজনীতিবিদ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। রাজনীতির বাইরেও তিনি ছিলেন সর্বজনগ্রাহ্য সামাজিক ব্যক্তিত্ব। তার স্মৃতি ধরে রাখতে ভবিষ্যতে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মৈত্রী চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ও ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব এবং রাঙ্গামাটি সদর জোন কমান্ডার একরামুল রাহাত।
অনুষ্ঠানে নতুন প্রজন্মের সৃজনশীলতা বিকাশ, সাহিত্য ও শিল্পচর্চায় উৎসাহ এবং গুণীজনদের অবদান স্মরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া ‘পাহাড়ের গর্ব’ হিসেবে পরিচিত ঋতুপর্ণা চাকমাকে সংবর্ধনা এবং প্রয়াত সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদের স্মরণে সম্মাননা প্রদান করা হয়।