সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে অটোরিকশাচালক কছিম উদ্দিন (৪৮) হত্যার প্রায় দুই বছর তিন মাস পর রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই ও মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মালেক (৪৫) এবং তার সহযোগী কাকলী রানী (৩৬) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে কছিম উদ্দিনকে হত্যা করা হয়নি। দুই ভাইয়ের পারিবারিক বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
গত শুক্রবার নিমগাছী এলাকা থেকে আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করে রায়গঞ্জ থানা-পুলিশ। শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করা হয় কাকলী রানীকে। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে নিমগাছী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ১ জুলাই নিমগাছী এলাকায় কছিম উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। প্রথমে তার অটোরিকশা ছিনতাইয়ের বিষয়টি সামনে এলেও দীর্ঘ তদন্তে হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়।
রবিবার সকালে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান জানান, তদন্তে হত্যার কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক আদালতে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।




