ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে বর্ধিত রুটে ট্রেনটির চলাচল শুরু হবে। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা নির্ধারিত স্টেশন থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) এক দাপ্তরিক আদেশে এ তথ্য জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেসে থাকবে ১৬টি কোচ। আসনসংখ্যা হবে ৭০০ থেকে ৭৩৬টি। ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ রোববার।
রেলওয়ের পরিচালন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনটি প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে রাত ২টা ৪০ মিনিটে এবং কক্সবাজারে পৌঁছাবে সকাল ৬টায়। ফিরতি পথে সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে চট্টগ্রামে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে যাত্রাবিরতি দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। কক্সবাজার থেকে ঢাকা যেতে সময় লাগবে সাড়ে ৯ ঘণ্টা।
বর্তমানে কমলাপুর থেকে ছেড়ে মহানগর এক্সপ্রেস ১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। রুট সম্প্রসারণের পর সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশনে যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে। তবে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনে আগের মতোই বিরতি থাকবে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওপিএস) মোহাম্মদ সফিকুর রহমান বলেন, দোহাজারী–কক্সবাজার রেলপথ চালুর পর থেকে এ রুটে যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ কারণে চার জোড়া ট্রেনের পর পঞ্চম ট্রেন হিসেবে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, বর্তমানে ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম থেকে দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করে। ঢাকা থেকে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম ছাড়া মধ্যবর্তী স্টেশনে থামে না। অন্যদিকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটের প্রবাল ও সৈকত এক্সপ্রেস বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে যাত্রী ওঠানামা করে। মহানগর এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণের ফলে মধ্যবর্তী জেলার যাত্রীরাও সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পাবেন।