দিনের শেষভাগে বাংলাদেশের বোলারদের হতাশ করেছেন রহমত শাহ ও ইকরাম আলিখিল। তাঁদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দ্বিতীয় দিন শেষে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২১১ রান। রহমত ৮৪ এবং ইব্রাহিম ২৬ রানে অপরাজিত আছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩৪৬ রানের জবাবে আফগানিস্তান পিছিয়ে ১৩৫ রানে।
দিনের শুরুতে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে আগের দিনের সংগ্রহের সঙ্গে আরও ২৯ রান যোগ করে। নাঈম হাসান ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন। টেস্ট ক্রিকেটে এটিই তাঁর সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। তাইজুল ইসলামের ব্যাট থেকে আসে ৯ রান। শেষ দুই উইকেট হারানোর আগে বাংলাদেশ ব্যাট করে আরও ৮.৩ ওভার।
আফগানিস্তানের ইনিংসের শুরুতে বাংলাদেশের পেসাররা ভালো বোলিং করেন। ৩০ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। হাসান মাহমুদের বলে ১৭ রান করে ফেরেন সেদিকউল্লাহ আতাল। এরপর এবাদত হোসেনের বলে ২০ রান করা শহিদুল্লাহর বিদায় ঘটে।
আব্দুল মালিক ও রহমত শাহ তৃতীয় উইকেটে ৭০ রান যোগ করে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেন। মালিক ১২০ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় ৬২ রান করেন। তাঁকে ফেরান এবাদত। পরের ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে শূন্য রানে আউট হন হাসমতউল্লাহ শহীদি। পাঁচ বলের ব্যবধানে দুই উইকেট হারিয়ে তখন ১৩৯ রানে চার উইকেট আফগানিস্তানের।
সেখান থেকে দলকে সামলে নেন রহমত ও ইকরাম। ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করে দিন পার করেন তাঁরা। রহমত ১৮৬ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ৮৪ রান করেছেন। অন্য প্রান্তে ইকরাম অপরাজিত ২৬ রানে। পঞ্চম উইকেটে তাঁদের ৭২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি আফগানিস্তানকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছে। তৃতীয় দিনের শুরুতে এই জুটি ভাঙতে পারাই বাংলাদেশের বোলারদের বড় চ্যালেঞ্জ।