বাংলাদেশ দলের স্কোয়াড নির্বাচনে নির্বাচকেরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচক হাবিবুল বাশার। দল নির্বাচনে বাইরের প্রভাব কিংবা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেছেন, নির্বাচকদের নিজেদের সিদ্ধান্তের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দলের ব্যর্থতা ও স্কোয়াড নির্বাচন নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে বাশার বলেন, দল টানা হারলে এ ধরনের প্রশ্ন ওঠে। জয়ের ধারায় থাকলে এমন আলোচনা কম হয়। তিনি বলেন, “আমরা কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাস করি না। নির্বাচক হিসেবে আমরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবেই দল বেছে নিই।”
সৌম্য সরকারকে স্কোয়াডে না রাখার ব্যাখ্যায় বাশার জানান, তাকে বসিয়ে না রেখে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার সুযোগ করে দেওয়াই নির্বাচকদের লক্ষ্য। ওয়ানডেতে সাম্প্রতিক সময়ে রান না পেলেও সৌম্যের ম্যাচ জেতানো ইনিংসের কথা মনে রেখেছেন তারা। টেস্টে নিয়মিত ওপেনারদের খেলার সম্ভাবনা বিবেচনায় তৃতীয় ওপেনারও রাখা হয়নি।
পেসার খালেদ আহমেদের বাদ পড়ার বিষয়ে বাশার বলেন, এবাদত হোসেন, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদকে নিয়ে পেস আক্রমণের সমন্বয় করা হয়েছে। একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলে ক্রিকেটারদের প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে প্রস্তুত থাকার সুযোগ দিতে চান নির্বাচকেরা।
ব্যাকআপ উইকেটকিপার হিসেবে জাকের আলীকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানান বাশার। ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করে জাকের ফিরেছেন এবং চাপের মুহূর্তে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে। অমিত হাসানও নির্বাচকদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় রয়েছেন। বাশারের মতে, দলের ফলাফলের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার প্রক্রিয়া ঠিক রাখা জরুরি।