গঙ্গা চুক্তি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন কোনো আলোচনা হয়নি। চুক্তির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে, নাকি নতুন করে নবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। তবে এ নিয়ে কার্যক্রম চলছে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংসদীয় কমিটিকে জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে গঙ্গা চুক্তির বিষয়ে সুপারিশ করা হয়।
এদিকে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের কাজ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে বৈঠকে আশা প্রকাশ করা হয়। প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে আগামী ২৫ অক্টোবর পাবনার সুজানগর পরিদর্শনে যাবেন কমিটির সদস্যরা। বৈঠকে নদীভাঙন ও তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র ও জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন প্রতিরোধ এবং যমুনার বামতীর, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও আলাই নদীর তীর রক্ষার কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়।
এ ছাড়া রাজশাহী ও নাটোরের বারনই নদী পুনঃখনন এবং নদীটি দূষণ ও দখলমুক্ত করা, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে নাফ নদসংলগ্ন পোল্ডার পুনর্বাসন এবং গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন নিয়ে আলোচনা হয়।
কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলনের সভাপতিত্বে বৈঠকে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু, মাজহারুল ইসলাম, মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার, মো. ইজ্জত উল্লাহ, মো. অলি উল্লাহ ও মো. মশিউর রহমান খান।




