স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থীর জামানত ও ভোটের ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এ ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদে প্রার্থী হতে জামানতের পরিমাণ চেয়ারম্যান পদে ২৫ হাজার টাকা ও সদস্য পদে ৫ হাজার টাকা করা হচ্ছে। নির্বাচনি ব্যয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর ১০ লাখ টাকা ও সদস্য প্রার্থীর ব্যয় ২ লাখ টাকা ।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালায় কিছু সংশোধন প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পেলে জামানত বাজেয়াপ্তের বিধান রয়েছে। এবার ১৫ শতাংশ ভোট না পেলে জামানত বাজেয়াপ্তের বিষয়টি প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রার্থী নির্বাচনি ব্যয় (ব্যক্তিগত ও ভোটের ব্যয়) আলাদা আলাদা থাকলেও এবার একীভূত করে ব্যয় সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
সবশেষ ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশের আলোকে স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা জারি করা হয়। পরে সংসদে পাস হওয়া ইউপি নির্বাচন আইনের আলোকে ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা হয়। এরপর থেকে সময়ে সময়ে সংশোধন হয়ে আসছে এটা। তবে এবারই প্রার্থীর জামানত ও ভোটের ব্যয় বাড়নো হচ্ছে।
ইউপি নির্বাচনে বাড়ছে প্রার্থীর জামানত ও ভোটের ব্যয়
স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থীর জামানত ও ভোটের ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এ ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রিয় বাংলাদেশজাতীয়


