দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৪টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন তিনি। একই সময়ে অনলাইনে দেশের ৫০৩টি উপজেলাতেও কর্মসূচিটির কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে অংশ নেওয়া ক্ষুদে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে সামনে পেয়ে গ্যালারিতে থাকা শিক্ষার্থী ও শিশু-কিশোরদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীও মাঠ থেকে তাদের শুভেচ্ছা জানান।
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে এবারের আয়োজন। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আগের আটটি বিভাগের পাশাপাশি এবার নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে মোট ১০টি খেলায় নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারবে প্রতিযোগীরা।
আয়োজকদের লক্ষ্য, স্থানীয় পর্যায় থেকেই সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় বিকাশের সুযোগ করে দেওয়া। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের খেলাধুলায় আগ্রহী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরির পথও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ক্রীড়া পরিদপ্তর কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে। নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। আশির দশকের জনপ্রিয় ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এবার খেলাধুলাকে গুরুত্ব দিয়ে আয়োজনটি পরিচালিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ২ মে সিলেটে প্রথম আসরের উদ্বোধন হয়েছিল। দ্বিতীয় আসরে খুলনায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করেছে। তৃণমূলের এই বিপুল অংশগ্রহণকে কাজে লাগিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রতিভা তুলে আনার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।




