ভারতের নয়াদিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে ইতিবাচকভাবে দেখছে ভারত। তবে বৈঠকে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত না থেকে স্বরাষ্ট্র সচিবের মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ বিষয়ে কথা বলেন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবর্তে সচিব পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিমসটেকের সব সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বৈঠক শেষে সদস্য দেশগুলোর সম্মতিতে ‘দিল্লি ঘোষণা’ গৃহীত হয়। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, সীমান্তপারের মাদক পাচার প্রতিরোধ এবং অর্থ পাচারবিরোধী কার্যক্রমে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা সুসংহত করতে সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত সদিচ্ছা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।
বিমসটেকের সদস্য দেশ বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটান। বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়েও কাজ করে এই জোট।
একই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও শারদীয় দুর্গাপূজার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে, সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনাগুলোর যথাযথ তদন্ত করবে এবং পরিস্থিতি গুরুত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মোকাবিলা করবে বলে প্রত্যাশা করে ভারত।




