দেশের যে জেলাগুলোর পাশে সীমান্ত আছে এবং সীমান্তের ওপারেও চাষাবাদ হয়, ওই এলাকায় সারের চাহিদাটা দেখা যাচ্ছে। তাই সার পাচার ঠেকাতে বিজিবিকে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার  ( ৫ নভেম্বর) রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন  কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।  তিনি বলেন,  দেশের খুবই অল্প কিছু এলাকায় সারের সংকট হয়েছে। 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কোনো অসাধু চক্র যাতে সরকারি সার অপচয় কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

দেশে ইউরিয়া সারের কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, বছরে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন ইউরিয়ার চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার বেশি ভর্তুকি দিয়ে সরবরাহ করে এমন দু-এক ধরনের সারের চাহিদা কোনো কোনো এলাকায় বেশি থাকায় সাময়িক সমস্যা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ডিলার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিটি ইউনিয়নে দুজন করে সার ডিলার ছিলেন।  এখন প্রতিটি ইউনিয়নে আরও একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাস থেকেই নতুন ডিলারদের মাধ্যমেও সার বিতরণ শুরু হবে।  আগামী রোপণ মৌসুমে সারের সংকট থাকবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।