রাজধানীতে সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগ, বিস্ফোরণ ও সহিংসতার ঘটনার পর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফ্লাইওভার, প্রবেশ ও বহির্গমনপথসহ বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর গোপন তৎপরতা এবং সম্ভাব্য সহিংসতার তথ্য সামনে আসায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সহিংসতার পেছনে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মদদ ও বিভিন্ন পক্ষের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের বিষয়গুলো গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এ অবস্থায় অপরাধীদের শনাক্ত করতে পোশাকধারী পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও ইন্ধনদাতাদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে এবং তদন্তে যাঁদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, ফ্লাইওভার ও প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসিয়ে নিয়মিত তল্লাশি চলছে। অন্যদিকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেডএম ইন্তেখাব চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে ৪০টির বেশি চেকপোস্ট এবং ২১টি টহল দল কাজ করছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা ও আভিযানিক দলের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। তবে বিভিন্ন সংস্থার চেকপোস্টের মোট সংখ্যা নিয়ে প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য থাকায় সুনির্দিষ্ট সমন্বিত সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি।




