স্থানীয়দের ভাষ্য, মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে হাসানের কাছ থেকে ১২ শতাংশ জমি কেনেন একই গ্রামের মৃত ইসমাইলের ছেলে নুরুল হুদা। তবে জমির দখল নিয়ে হাসানের দুই ভাই হোসেন ও জাবেদের সঙ্গে নুরুল হুদার বিরোধ চলছিল। বিষয়টি মীমাংসায় সালিসের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সমাধান হয়নি।
নুরুল হুদার দাবি, বৃহস্পতিবার বিকেলে জমিতে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ হয়। পরে রাতে শতাধিক লোক তাঁদের তিন ভাইয়ের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, মারধর এবং মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। হামলার পেছনে হোসেন ও জাবেদের ইন্ধন রয়েছে বলেও দাবি তাঁর।
নুরুল হুদার ভাই মাওলানা নুরুদ্দিন বলেন, হামলাকারীরা তাঁকে ঘর থেকে টেনে বের করে হত্যার চেষ্টা করে। তাঁর স্ত্রীর হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পান। ঘর থেকে নতুন একটি মোবাইল ফোন, ৪৫ হাজার টাকা ও এক জোড়া কানের দুল নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান, বিরোধের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উভয় পক্ষকে সালিসে বসার আহ্বান জানানো হলেও তাঁরা তা মানছেন না।
অন্যদিকে, হোসেন হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে তাঁরা হাসপাতালে ছিলেন।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জানুর রহমান/নজরুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশের চলে আসার পর ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




