বিভিন্ন জাতীয় ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবি সামনে রেখে রাজপথের কর্মসূচিতে নেমেছে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার সকালে রাজধানী থেকে খুলনা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চ শুরু করেছে জোটটি।
৩১ অক্টোবর সকাল ৮টা ২০ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটক থেকে কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়। এর আগে সেখানে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এইচএম হামিদুর রহমান আযাদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন ক্বারী বেলাল হোসেন।
সমাবেশে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণের অধিকার ও দাবি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সংবিধান সংস্কারের জন্য দ্রুত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এ উদ্যোগ নেওয়া না হলে সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ছোবহানী, আমার বাংলাদেশ পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দামসহ ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যান্য নেতারা।
লংমার্চের ঘোষিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় কার্যকর, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি, সার সংকটের সমাধান এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ।