জননিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা সুদৃঢ় করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া, গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধ এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক কনটেন্ট প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পত্রের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে দেশের সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
পত্রে টেলিভিশন, ইউটিউব ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাসঙ্গিক ও জনসচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি এবং প্রচারের পরিমাণ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া নবগঠিত ‘কনটেন্ট ক্রিয়েশন বোর্ড’-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কনটেন্ট সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতির বিষয়টি প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে অপপ্রচার, ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে সময়মতো সঠিক, বস্তুনিষ্ঠ ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য এবং বক্তব্য জনগণের সামনে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখতে চায় সরকার।
ক্যাপশন: জননিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জোরদারে গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক কনটেন্ট প্রচারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সরকার।