রংপুরের বিড়ি শিল্পনগরী হরাগাছে নাস্তা খাওয়ানো লোভ দেখিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোর (১৫) কে বলৎকারের অভিযোগে অভিযুক্ত আব্দুল মতিনকে (৬১) গণধোলাই সহ পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। ভুক্তভোগী কিশোরকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলা হলে অভিযুক্ত আব্দুল মতিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বলৎকারের অভিযুক্ত গ্রেপ্তার আব্দুল মতিন রংপুর সিটি করর্পোরেশনের হারাগাছ থানাধীন চাঁদকুঠি সদবাজার এলাকার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, মেট্রোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানাার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান।
পুলিশ জানায়, রবিবার (১ নভেম্বর) রাতে বাক-প্রতিবন্ধী কিশোর নগরীর সদবাজারে ঘোরাফেরা করছিল। রাত নয়টার দিকে তাকে নাস্তা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ফুসলিয়ে চাঁদকুঠি সদবাজার জনৈক্য ব্যক্তির তামাকের গোডাউনের খালি মাঠে নিয়ে যায় আব্দুল মতিন। সেখানে প্রতিবন্ধী কিশোরকে বলৎকার করে।পরে বাক-প্রতিবন্ধী কিশোরকে সদবাজারের কাছে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আব্দুল মতিন। এ সময় বাক-প্রতিবন্ধীর আত্মর্নাথ শুনে এবং লুঙ্গিতে রক্ত দেখে তাকে জিজ্ঞাসা করলে ঘটনা সম্পর্কে সে ইশারা- ইঙ্গিতে বলৎকারের ঘটনা জানায়। এসময় আব্দুল মতিনকে আটক করে গণধোলাই দেয় স্থানীয় লোকজন।
এক পর্যায়ে কৌশলে অভিযুক্ত আব্দুল মতিন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে ভুক্তভোগী কিশোরকে উদ্ধার করে। স্বজনরা জানতে পেরে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরকে প্রথমে হারাগাছ ৩১ শয্যা হাসাপাতলে পরে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানাার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান জানান, বলৎকারের ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা বাদী হয়ে আব্দুল মতিনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।ঘটনার পর স্থানীয়দের গণধোলাইয়ে অভিযুক্ত আসামি আব্দুল মতিন আহত হয়ে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি হন।খবর পেয়ে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।




