খুলনায় জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের নেতা সৈয়দ হুমায়ুন কবির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামিদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নিহতের ছেলে সৈয়দ নূর আমিন সৌহার্ত্য বাদী হয়ে রোববার রাতে মামলাটি করেন।
এজাহারে নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি আরাফাত হোসেন এবং তার চার ভাইকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই থেকে তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম শেখ সিদ্দিক।
পুলিশ ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, একটি ফ্রিজ কিস্তিতে কেনাকে কেন্দ্র করে আরাফাত হোসেনের সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের আর্থিক লেনদেনের বিরোধ তৈরি হয়। ফ্রিজটির মূল্য বাবদ আরাফাতের পাওনা ছিল ১০ হাজার টাকা।
রবিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওই টাকা চাইতে রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে অবস্থিত হুমায়ুন কবিরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিল ক্যান্টিনে যান আরাফাত। সেখানে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে আরাফাত কয়েকজন ভাইকে সঙ্গে নিয়ে আবার সেখানে আসেন।
একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে একাধিক আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত হুমায়ুন কবির খুলনা মহানগর জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।




