সৌন্দর্যবর্ধক অস্ত্রোপচারের পরও মুখের ক্ষত থেকে মুক্তি পাননি ব্রিটিশ টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব শ্যারন অসবোর্ন। মুখের ডান পাশে গর্তের মতো দেবে যাওয়া একটি অংশ এখনো তাকে ভোগাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ৭৪ বছর বয়সী এই তারকা।
সম্প্রতি ছেলে জ্যাক অসবোর্নের সঙ্গে ‘দ্য অসবোর্ন পডকাস্ট’-এ নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন শ্যারন। তিনি জানান, মুখের ওপরের অংশ থেকে নিচ পর্যন্ত বিস্তৃত দেবে যাওয়া দাগটি এখনো রয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে রসিকতা করে তিনি বলেন, অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক হয়তো কাজের মাঝপথে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিয়ে চলে গিয়েছিলেন। তবে চিকিৎসকের নাম কিংবা কোন অস্ত্রোপচারের কারণে এই ক্ষত তৈরি হয়েছে, তা প্রকাশ করেননি তিনি।
শ্যারন জানান, অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসা নিয়েও সমস্যার সমাধান হয়নি।
এর আগে ২০২১ সালে মুখের সৌন্দর্যবর্ধক অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ফলাফল দেখে নিজেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ২০২২ সালে ওই অভিজ্ঞতাকে ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেন শ্যারন। সে সময় তার দাবি ছিল, অস্ত্রোপচারের পর দুই চোখের চেহারায় অসমতা তৈরি হয়েছিল। নিজের চেহারাকে গ্রিক পুরাণের একচোখা দৈত্য ‘সাইক্লপস’-এর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তিনি।
শ্যারনের এই অভিজ্ঞতা সৌন্দর্যবর্ধক অস্ত্রোপচারের সম্ভাব্য জটিলতা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া এবং পরবর্তী চিকিৎসাতেও সমস্যা থেকে যাওয়ার বিষয়টি তার বক্তব্যে উঠে এসেছে। শ্যারনের স্বামী, বিখ্যাত সংগীতশিল্পী ওজি অসবোর্ন গত বছর মারা যান।




