জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও বিভিন্ন জনসেবার পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষের জেরে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের ঘটনায় প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় এক হাজার পুলিশ ও জেন্ডার্ম সদস্য।
১৮ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিসসহ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। কোথাও দোকানপাটে লুটপাট, কোথাও সরকারি স্থাপনায় আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। লিমোজেস শহরের ঐতিহাসিক সিটি হল অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
Screenshot 2026 10 19 100613
 একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানানো মানুষ এবং ভাঙচুর ও লুটপাটে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আলাদা করে দেখার কথা বলেছেন তিনি। বিক্ষোভ ও পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তবে সহিংসতার ঘটনায় তদন্ত, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আরও তথ্য সামনে আসার অপেক্ষা রয়েছে।