ফেনী পৌরসভার রামপুর এলাকার একটি বাসায় পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা, মারধর, ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাই চিকিৎসক মেহেদী হাসান রাজুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আবদুল মতিন পাটোয়ারী।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, আবদুল মতিন পাটোয়ারী ফেনী পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর এলাকার সুলতানা ম্যানশনের বাসিন্দা। তার ছোট ভাই মেহেদী হাসান রাজু ফেনী ডায়াবেটিস হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত। পারিবারিক সম্পত্তি এককভাবে দখলকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৫ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বিরোধের একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও মারধরের ঘটনা ঘটে। বাধা দিতে গেলে আবদুল মতিনকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ সময় তার স্ত্রী ও মেয়েকে মারধর করে আহত করা, পোশাক ছিঁড়ে দেওয়া এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
এ ছাড়া বাসার জানালার কাচ, দরজা ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়। পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ এবং বাসা থেকে উচ্ছেদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন আবদুল মতিন। এতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, অভিযুক্ত চিকিৎসকের কাছে অস্ত্র রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে অস্ত্র থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে দ্রুত তা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন তারা। তাদের আশঙ্কা, অস্ত্র উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বড় ধরনের সংঘাতের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে অস্ত্র থাকার অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য এবং অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।




